7AE4DB888C9356EF084A3F1CECF14C32

উচ্চশিক্ষার জন্য অনেকেই ভিনদেশে পাড়ি জমাতে চান। উচ্চশিক্ষার জন্য জাপান বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের পছন্দের শীর্ষে। এশিয়ার এই দেশটিতে আমাদের দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে পড়াশোনার অনেক সুযোগ।

প্রায় ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা জাপানে শিক্ষা গ্রহণের জন্য পাড়ি জমাচ্ছেন। পৃথিবীর সবচেয়ে অসাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থাগুলোর মধ্যে জাপানের শিক্ষা ব্যবস্থা অন্যতম। জাপানে ৮৬ টি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, ৯৫ টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও ৫৯৭ টি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে।

অনেকেই এডুকেশন ভিসা নিয়ে জাপান যচ্ছেন। আপনি যদি এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন তবে ব্যাচেলর্স ডিগ্রিতে এবং ব্যাচেলর্স ডিগ্রিতে উত্তীর্ণ হলে মাস্টার্সে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারেন। এসোসিয়েটেড ডিগ্রি, ব্যাচেলর্স ডিগ্রি, মাস্টার্স ডিগ্রি ও ডক্টরেট প্রোগ্রামে পড়াশোনা ও গবেষণার জন্য আপনি জাপানে যেতে পারেন।

উচ্চশিক্ষার জন্য জাপান যে জন্য সেরা

  • জাপানে পুরো পৃথিবী থেকে প্রত্যেক বছর প্রায় কয়েক লক্ষ শিক্ষার্থী পড়তে আসে।
  • জাপানে বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয়েই স্বল্প খরচে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করা যায়।
  • জাপানে পড়াশোনার পাশাপাশি পার্ট টাইম ও ফুল টাইম চাকরির ব্যবস্থা রয়েছে।
  • পৃথিবীর সেরা ২০০ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ১৫ টি বিশ্ববিদ্যালয় জাপানে অবস্থিত।
  • জাপান ভ্রমণের জন্য পৃথিবীর সেরা দেশগুলোর মধ্যে একটি।
  • জাপানে বহুভাষী মানুষের সংখ্যা অনেক, যা সহজেই আপনাকে নতুন পরিবেশের সাথে মানিয়ে নিতে সাহায্য করবে।
  • জাপানের সংস্কৃতি ও আবহাওয়া আপনাকে মিতব্যয়ী ও কর্মঠ করে গড়ে তুলতে সাহায্য করবে ।

জাপানে বিষয়গুলো পড়া যাবে :

হিউম্যান স্টাডিজ, লিঙ্গুইস্টিক স্টাডিজ, হিস্টোরিক্যাল স্টাডিজ, হিউম্যান সায়েন্স, এডুকেশনাল সায়েন্স, ল অ্যান্ড সোসাইটি, পাবলিক ল অ্যান্ড পলিসি, ইকোনমিক্স, ম্যানেজমেন্ট, অ্যাকাউন্ট্যান্সি, ফিজিক্স, অ্যাস্ট্রোনমি, জিওফিজিক্স, কেমিস্ট্রি, আর্থ সায়েন্স, মেডিকেল সায়েন্স, ডিজঅ্যাবিলিটি সায়েন্স, ডেন্টিস্ট্রি, ফার্মাসিউটিক্যাল কেমিস্ট্রি, বায়োফার্মাসিউটিক্যাল সায়েন্স, লাইফ সায়েন্স, মেকানিক্যাল সিস্টেমস অ্যান্ড ডিজাইন, ন্যানোমেকানিক্স, অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং, কোয়ান্টাম সায়েন্স অ্যান্ড এনার্জি ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং, অ্যাপ্লায়েড ফিজিক্স, অ্যাপ্লায়েড কেমিস্ট্রি, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, বায়োসলিকিউলার ইঞ্জিনিয়ারিং, মেটেরিয়াল সায়েন্স, মেটেরিয়ালস প্রসেসিং, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, আর্কিটেকচার অ্যান্ড বিল্ডিং সায়েন্স, ম্যানেজমেন্ট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, এডুকেশনাল ইনফরমেটিক্সসহ ইত্যাদি বিষয়ে অধ্যয়নের জন্য আপনি জাপান যেতে পারেন।

জাপানে উচ্চশিক্ষার জন্য প্রস্তুতি :

প্রথম প্রস্তুতি হতে পারে পড়াশোনার মাধ্যমে নিজেকে প্রস্তুত করা। আপনি যে প্রোগ্রাম বা কোর্সের জন্যই বিদেশে যান না কেন, আপনার সিজিপিএ যত ভালো হবে, বিদেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আপনার ভর্তির সুযোগ তত সহজেই মিলে যাবে। তবে জাপানি ভাষার ওপর পর্যাপ্ত দক্ষতা থাকতে হবে। কমপক্ষে ছয় মাসের জাপানি ভাষার কোর্স সম্পন্ন হতে হবে। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জাপান বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য একটি পরীক্ষা দিতে হবে। জাপানি ভাষার দক্ষতার ওপর একটি পরীক্ষা দিতে হবে। কমপক্ষে ১৬ বছরের শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে।

ভিসার প্রকৃয়া খুব জটিল কিছু নয়। তবে কলেজ/ ইউনিভার্সিটি/এডুকেশন ইনিস্টিটিউট খেকে এলিজিবিলিটি সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে হবে/ ভর্তি হতে হবে। ভিসার জন্য অথবা জাপানে পড়াশোনা করতে হলে টোফেল/IELTS না হলেও চলে, কিন্তু জাপানি ভাষা জানা থাকলে অনেক সুবিধা হয়। ভিসার জন্য আরো যেটা খুব গুরুত্বপূর্ণ, তা হল অবশ্যই স্পন্সর লাগবে। 

বাংলাদেশে বেশ কিছু কনসাল্টেন্ট/সর্ভিস সেন্টার আছে যারা এ ব্যপারে খুব কম খরচে সার্ভিস দিচ্ছে। জাপানে পড়াশোনা ও চাকরির বিষয়ে সহযোগিতা করার জন্য বাংলাদেশে ২০০১ সাল থেকে কাজ করছে AXIOM Education নামের প্রতিষ্ঠানটি। NAT-TEST(1st 2020) এ অংশগ্রহণকারি শিক্ষার্থীদের জন্য #AXIOM EDUCATION-এ আয়োজন করা হয়েছে ফ্রি প্রি-টেস্ট! যদি আপনার জাপানে উচ্চশিক্ষার জন্য যাওয়ার পরিকল্পনা থাকে অথবা এই বিষয়ে কোন তথ্য জানার থাকে আপনি অবশ্যই এক্সিয়ম এডুকেশানে যোগাযোগ করতে পারেন। এক্সিওম এডুকেশন আপনাকে সকল বিষয়ে সাহায্য করবে ।