7AE4DB888C9356EF084A3F1CECF14C32

বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর কয়েক হাজার শিক্ষার্থী দেশের বাইরে পড়াশোনা করতে যায়। উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পড়তে যাওয়ার স্বপ্ন দেখে অনেক শিক্ষার্থী। কেউ চায় দেশের বাইরে গিয়ে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট করতে, কেউ পোস্টগ্র্যাজুয়েট, কেউ বা আবার সরাসরি ডক্টরেট। কিন্তু সঠিক পরিকল্পনার অভাবে ও বাস্তব জ্ঞান না থাকার কারণে এই স্বপ্ন মাঝেমধ্যে দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়। বিদেশে পড়াশোনা করতে চাইলে প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো সম্পর্কে আপনার সঠিক ধারণা থাকতে হবে।

উচ্চশিক্ষার জন্য দেশ নির্বাচন

প্রথমেই একজন শিক্ষার্থীকে ঠিক করতে হবে তিনি কোন দেশে পড়তে যেতে চান। কারণ একেকটি দেশের পড়াশোনা, খরচ, ভর্তি চাহিদায় পার্থক্য আছে। দেশ বাছাইয়ের পরে ঠিক করতে হবে যে, আমার সাবজেক্ট ও আর্থিক সামর্থ্যের সঙ্গে মিলিয়ে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া যেতে পারে।

উচ্চশিক্ষার জন্য বিষয় নির্বাচন

আপনাকে সেই বিষয়টিই বেছে নিতে হবে যেটির প্রতি আপনার নিজের আগ্রহ রয়েছে, ভালো করার সামর্থ্য রয়েছে, এবং বিষয়টিতে পড়াশোনা করে পরবর্তীতে ভালো কোনো চাকরির সুযোগও রয়েছে। দেশে আপনি যে বিষয় নিয়ে পড়েছেন, বিদেশে গিয়েও সেটিতেই অটল থাকতে চান, নাকি ভিন্ন কোনো বিষয় বেছে নিতে চান? আবার বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এমন অনেক বিষয়ও রয়েছে, দেশে যেগুলো ছিল না। ফলে সেগুলোর ভবিষ্যৎ চাহিদা, সম্ভাবনা, উন্নতির সুযোগ প্রভৃতি বিবেচনা করে উচ্চশিক্ষার জন্য বিষয় নির্বাচন করতে হবে।

 শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্বাচন

আপনি হয়তো খুবই উন্নত কোনো দেশের দারুণ একটি বিষয় পছন্দ করেছেন, কিন্তু আপনার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি মানের দিক থেকে অনেক পিছিয়ে রয়েছে , অথবা যদি এমন হয় যে আপনার বাছাইকৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির টিউশন ফি অনেক বেশি, বৃত্তির সুযোগও তেমন নেই, তাহলেও আপনি বিপদের সম্মুখীন হতে পারেন।তাই শিক্ষার মান, পরিবেশ, বৈশ্বিক র‍্যাংকিং, টিউশন ফি, বৃত্তি সুবিধা, আবাসন ব্যবস্থা, বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা সকল বিষয় মাথায় রেখে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্বাচন করতে হবে।

নিজেকে প্রস্তুত করা

প্রধান কাজ হলো নিজেকে বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির যোগ্য করে তোলা। নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণ করতে পারলেই কেবল আপনি বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির সুযোগ পাবেন। যেমন আইইএলটিএস, টোফেল, স্যাট অথবা জিআরই। একেকটি দেশের বিশ্ববিদ্যালয় ভেদে এসব চাহিদার পার্থক্য থাকতে পারে।

ভিসা

ভিসা আবেদনের সময় আবেদন পত্রের কাগজপত্রের মধ্যে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির অফার লেটার থাকতে হবে। এর সঙ্গে শিক্ষার্থীর আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ, অর্থাৎ ব্যাংক হিসাবে নিজের নামে বা গ্যারান্টারের নামে পর্যাপ্ত অর্থের ব্যবস্থা থাকতে হবে শিক্ষার্থী ভিসার ক্ষেত্রে বেশ কিছু শর্ত থাকতে পারে।

 বিদেশে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় সহায়তা করে থাকে বেশ কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। যারা নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগাযোগ থেকে শুরু করে ভিসার প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে। এরকম একটি প্রতিষ্ঠান এক্সিয়ম এডুকেশান। বিদেশে উচ্চশিক্ষা বিষয়ে সহযোগিতা করার জন্য বাংলাদেশে ২০০১ সাল থেকে কাজ করছে #AXIOM EDUCATION নামের প্রতিষ্ঠানটি। আপনি যদি বিদেশে উচ্চশিক্ষা বিষয়ে সকল ধরনের তথ্য এবং সরাসরি সাক্ষাতের জন্য চলে আসুন এক্সিয়ম এডুকেশান